Saturday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ এ ১০:৪৪ AM

নাওডাঙ্গা, নিমকুশা ও ধরকা বিল

কন্টেন্ট: পাতা

বিলের নামঃ নাওডাঙ্গা, নিমকুশা ও ধরকা বিল


বিষয়

তথ্যাদি

বিলের নাম

নাওডাঙ্গা, নিমকুশা ও ধরকা বিল

বিলের মালিকানা

সরকারি

নামকরণের ইতিহাস

কোন এক সময় উক্ত বিলে নৌকা বাইচ খেলা হতো। নৌকায় বাইচ খেলায় নৌকা বা নাও নিয়ে অনেক মারামারি ও সংঘর্ষ হয়েছিল। সেখান থেকে এই বিলের নাম নাওডাঙ্গা হিসাবে পরিচিতি পায়।

বিলের অবস্থান

গ্রামঃ নাওডাঙ্গা, মৌজাঃ কুটি নাওডাঙ্গা, নিলুর খামার, হাইল্ল্যা, সন্তোষপুর, ইউনিয়নঃ সন্তোষপুর, উপজেলাঃ নাগেশ্বরী, জেলাঃ কুড়িগ্রাম।

ভৌগোলিক অবস্থান (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ)

অক্ষাংশঃ ২৬০˝৩৩˜ উত্তর অক্ষাংশ এবং

দ্রাঘিমাংশঃ ৮৯৩৯˝৫৭˜ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ

বিলের আয়তন(হেক্টর)

১১৩.০৩ হেক্টর (শুস্ক মৌসুমে-১০০ হে., বর্ষা মৌসুমে-৩০০ হে.)

বিলের ধরন

বাৎসরিক

পানির গভীরতা

২০ ফুট (শুস্ক মৌসুমে-১৬ ফুট, বর্ষা মৌসুমে-২৫ ফুট)

বিলের অবস্থা

খালের সাথে সংযুক্ত (খালের নামঃ খাতরার কুড়া)

বিলে বর্তমান মৎস্য কার্যক্রম

ইজারাভূক্ত (সমিতির মাধ্যমে মাছ চাষ হয়)

বিলে প্রাপ্ত/মজুদকৃত/চাষকৃত মাছের প্রজাতি

সিলভারকার্প, বিগহেডকার্প, রুই, মৃগেল, কাতলা, গ্রাসকার্প, কমনকার্প, ব্লাক কার্প, সরপুটি, বাটা

বিলে প্রাপ্ত দেশীয় মাছের প্রজাতি

টেংরা, মলা, চাপিলা, খরকাটি,পুটি, টাকি, শোল, বোয়াল, কই, মাগুর, শিং, গজার, চান্দা, বাইম, চিতল, দারকিনি, বালিয়া

বিলে প্রাপ্ত দুর্ভল মাছের প্রজাতি

পাবদা, চাপিলা, খরকাটি

বিলের প্রসিদ্ধ মাছ

চাপিলা (কর্তি)

বিলে প্রাপ্ত অন্যান্য জলজ প্রাণি

চিংড়ী, কাঁকড়া, কুচিয়া

বিলে প্রাপ্ত জলজ আগাছা

কচুরিপানা, ক্ষার

বিলে সুফলভোগীর সংখ্যা

৮৮০ জন (মৎস্যজীবী-২৬০ জন, মৎস্য চাষী-১২০ জন, অন্যান্য-৫০০ জন)

ব্যবহৃত মাছ ধরার সরঞ্জামাদি

বেড় জাল, চটজাল, নৌকা

২০২১ সালে মাছের উৎপাদন

১৭৯ মে.টন (দেশীয় ছোট মাছ-৪ মে.টন, কার্প-১৭৫ মে.টন)

বিলে মৎস্য অভয়াশ্রম

আছে

বিলে বিল নার্সারি কার্যক্রম

বিল নার্সারির জন্য উপর্যুক্ত পুকুর নাই

বিদ্যমান সমস্যা

-জলমহলের কবুলিওয়তকৃত জমির মালিকের দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত

-নার্সারির জন্য পুকুর না থাকা

-রাজনৈতিক প্রভাব

-সংযুক্ত খালের মুখে বানা স্থাপনে সমস্যা (জনগন কর্তৃক বাধা প্রদান)

সম্ভাবনার ক্ষেত্র

-বিলটি পুনঃখনন করে নার্সারি পুকুরের ব্যাবস্থা করা গেলে মাছের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

-স্থানীয় দরিদ্র ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্যতা হ্রাস করা সম্ভব হবে।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন