কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ এ ১০:৪৪ AM
কন্টেন্ট: পাতা
বিলের নামঃ নাওডাঙ্গা, নিমকুশা ও ধরকা বিল
| বিষয় | তথ্যাদি |
| বিলের নাম | নাওডাঙ্গা, নিমকুশা ও ধরকা বিল |
| বিলের মালিকানা | সরকারি |
| নামকরণের ইতিহাস | কোন এক সময় উক্ত বিলে নৌকা বাইচ খেলা হতো। নৌকায় বাইচ খেলায় নৌকা বা নাও নিয়ে অনেক মারামারি ও সংঘর্ষ হয়েছিল। সেখান থেকে এই বিলের নাম নাওডাঙ্গা হিসাবে পরিচিতি পায়। |
| বিলের অবস্থান | গ্রামঃ নাওডাঙ্গা, মৌজাঃ কুটি নাওডাঙ্গা, নিলুর খামার, হাইল্ল্যা, সন্তোষপুর, ইউনিয়নঃ সন্তোষপুর, উপজেলাঃ নাগেশ্বরী, জেলাঃ কুড়িগ্রাম। |
| ভৌগোলিক অবস্থান (অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ) | অক্ষাংশঃ ২৬০০˝৩৩˜ উত্তর অক্ষাংশ এবং দ্রাঘিমাংশঃ ৮৯০৩৯˝৫৭˜ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ |
| বিলের আয়তন(হেক্টর) | ১১৩.০৩ হেক্টর (শুস্ক মৌসুমে-১০০ হে., বর্ষা মৌসুমে-৩০০ হে.) |
| বিলের ধরন | বাৎসরিক |
| পানির গভীরতা | ২০ ফুট (শুস্ক মৌসুমে-১৬ ফুট, বর্ষা মৌসুমে-২৫ ফুট) |
| বিলের অবস্থা | খালের সাথে সংযুক্ত (খালের নামঃ খাতরার কুড়া) |
| বিলে বর্তমান মৎস্য কার্যক্রম | ইজারাভূক্ত (সমিতির মাধ্যমে মাছ চাষ হয়) |
| বিলে প্রাপ্ত/মজুদকৃত/চাষকৃত মাছের প্রজাতি | সিলভারকার্প, বিগহেডকার্প, রুই, মৃগেল, কাতলা, গ্রাসকার্প, কমনকার্প, ব্লাক কার্প, সরপুটি, বাটা |
| বিলে প্রাপ্ত দেশীয় মাছের প্রজাতি | টেংরা, মলা, চাপিলা, খরকাটি,পুটি, টাকি, শোল, বোয়াল, কই, মাগুর, শিং, গজার, চান্দা, বাইম, চিতল, দারকিনি, বালিয়া |
| বিলে প্রাপ্ত দুর্ভল মাছের প্রজাতি | পাবদা, চাপিলা, খরকাটি |
| বিলের প্রসিদ্ধ মাছ | চাপিলা (কর্তি) |
| বিলে প্রাপ্ত অন্যান্য জলজ প্রাণি | চিংড়ী, কাঁকড়া, কুচিয়া |
| বিলে প্রাপ্ত জলজ আগাছা | কচুরিপানা, ক্ষার |
| বিলে সুফলভোগীর সংখ্যা | ৮৮০ জন (মৎস্যজীবী-২৬০ জন, মৎস্য চাষী-১২০ জন, অন্যান্য-৫০০ জন) |
| ব্যবহৃত মাছ ধরার সরঞ্জামাদি | বেড় জাল, চটজাল, নৌকা |
| ২০২১ সালে মাছের উৎপাদন | ১৭৯ মে.টন (দেশীয় ছোট মাছ-৪ মে.টন, কার্প-১৭৫ মে.টন) |
| বিলে মৎস্য অভয়াশ্রম | আছে |
| বিলে বিল নার্সারি কার্যক্রম | বিল নার্সারির জন্য উপর্যুক্ত পুকুর নাই |
| বিদ্যমান সমস্যা | -জলমহলের কবুলিওয়তকৃত জমির মালিকের দ্বারা বাঁধাপ্রাপ্ত -নার্সারির জন্য পুকুর না থাকা -রাজনৈতিক প্রভাব -সংযুক্ত খালের মুখে বানা স্থাপনে সমস্যা (জনগন কর্তৃক বাধা প্রদান) |
| সম্ভাবনার ক্ষেত্র | -বিলটি পুনঃখনন করে নার্সারি পুকুরের ব্যাবস্থা করা গেলে মাছের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পাবে। -স্থানীয় দরিদ্র ও মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্যতা হ্রাস করা সম্ভব হবে। |